আবার আঘাত হানতে পারে সুন্দরবনে
সিডরের বেশি ভয় আম্পানে

আজকের কলারোয়া - 19/05/2020
করোনা ভাইরাসের মহামারীতে আক্রান্ত ও প্রাণহাণিতে যখন সারাদেশে দুর্যোগময় অবস্থা তখন সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’ বিধ্বংসী রূপ নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে কিছুটা দুর্বল হয়ে ‘অতিপ্রবল’ ঘূর্ণিঝড় রূপে আজ বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে ভারতীয় আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের দীঘা এবং বাংলাদেশের হাতিয়ার মাঝামাঝি সুন্দরবন ও আশপাশের এলাকার কথা। আগের তুলনায় শক্তি সামান্য কমলেও সিডরের চেয়েও বিপুল ধ্বংস ঘটানোর সামর্থ্য রাখে এ ঝড়। উপকূল অতিক্রম করার সময় এর বাতাসের শক্তি থাকতে পারে ঘণ্টায় দেড়শ কিলোমিটার বা তারও বেশি। উপকূলীয় দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোন ঘূর্ণিঝড় সুপার সাইক্লোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। যৌথ টাইফুন সতর্কতা কেন্দ্রের (জেটিডব্লিউ) মতে, এটি বঙ্গোপসারে রেকর্ডকৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, যার গতিবেগ ২৭০ কিলোমিটার। ২০০৭ সালে আঘাত হানা সিডরের চেয়েও বেশি বিধ্বংসী ও শক্তিশালী আম্ফান। এই দুইটি ঝড়ের উৎপত্তিস্থল আন্দামান দীপপুঞ্জ এলাকায়। এখন পর্যন্ত এর যে গতিপথ তাতে ধারণা করা হচ্ছে, আবারও তা সুন্দরবনে প্রবল বেগে আছড়ে পড়বে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করতে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি। কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসায় সামাজিক দূরত্ব ও সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করে উপকূলীয় অঞ্চলের ২২ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে। জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তাসহ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন স্তরের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তাদের ২৫টি যুদ্ধ জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি থেকে সব জাহাজ সরানো হয়েছে। বন্দর থেকে কনটেইনার সরবরাহ চালু থাকলেও সব ধরনের পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর বিক্ষুব্ধ থাকায় আগের মতোই চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর এবং মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনীসহ আশপাশের এলাকায় কয়েক দফা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে। সারাদেশে গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। মধ্যরাত থেকে উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের সর্বত্র বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ার কারণে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। অবশ্য আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সুপার সাইক্লোনের গতিসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে চারবার আঘাত হেনেছিল। যদিও তখন তা সুপার সাইক্লোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সিডরের থেকেও বেশি বিধ্বংসী ও শক্তিশালী হলো আম্ফান। এর কেন্দ্রে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাওয়ায় এটি গত সোমবার পরিণত হয় সুপার সাইক্লোনে। ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশ উপকূলে ব্যাপক তা-বলীলা চালায়। যে ভয়াল স্মৃতি আজও উপকূলের মানুষের হৃদয়ে দগদগ করছে। তবে সিডর সুপার সাইক্লোন ছিল না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, এখনও আমরা বন্দরগুলোকে বিপৎসংকেত দেখাতে বলছি। বুধবার মহাবিপদ সংকেত দেওয়া হবে। এদিকে সারাদেশে ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান খাজা মিয়া বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশের পাঁচটি ফেরিঘাট দিয়ে কোনো ফেরি চলাচল করবে না। ঘাটগুলো হলোÑ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী, চাঁদপুর-শরীয়তপুর, লক্ষ্মীপুর-ভোলা এবং ভেদুরিয়া-লাহারহাট। আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত আম্ফান উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। মঙ্গলবার বেলা ৩টায় এ ঘূর্ণিঝড় চট্টগ্রাম সমদ্রবন্দর থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে; কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে; মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। তখন ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছিল। আম্ফানের গতি-প্রকৃতি তুলে ধরে আবহওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, সাইক্লোনটি এখন ঘণ্টায় ১৮-২০ কিলোমিটার বেগে উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। বুধবার দুপুরের পর থেকে বাংলাদেশ উপকূলে প্রভাব শুরু হবে। সন্ধ্যা থেকে রাতভর ঝড়ের প্রভাব থাকবে উপকূলজুড়ে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। আর উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। আবহাওয়া অফিস বলছে, ২২ মে অমাবস্যা থাকায় এর প্রভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠবে জোয়ার। ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং আশপাশের দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-১০ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার দিনের প্রথম ভাটা শুরু হবে বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটে আর দিনের দ্বিতীয় জোয়ার শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে। এর পরের ভাটা রাত ১২টা দুই মিনিটে শুরু হবে। আম্ফান বুধবার বিকালে উপকূল অতিক্রম শুরু করলে তখন ভাটার প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস কিছুটা কম থাকবে। তবে সন্ধ্যায় জোয়ারের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস হয়ে উঠতে পারে ভয়ঙ্কর। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ঘূর্ণিঝড় উপকূল অতিক্রম করার সময় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি দেখে আজ সকাল ৬টায় মহাবিপৎসংকেত দেওয়া হতে পারে। এর পর আর কাউকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া কঠিন হবে। তাই মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে ২২ লাখ মানুষকে ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাসের মহামারীর এই সময়ে যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসছেন তাদের সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে এনামুর বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে তাদের ন্যূনতম এক মিটার দূরত্ব রজায় রেখে থাকতে বলা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের জন্য সেনাবাহিনীর যেসব সদস্য মাঠে কাজ করছেন, তারাও ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে সহায়তা করবেন বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এনামুর রহমান আরও জানান, মোট ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে ৫১ লাখ ৯০ হাজার ১৪৪ জনকে রাখা যাবে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে ২০ থেকে ২২ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হবে। আর আশ্রয়কেন্দ্রে আনাদের মধ্যে ১ মিটার দূরত্ব নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগে ঘূর্ণিঝড় ১৮ লাখ এবং ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময় ২২ লাখ মানুষকে আশ্রকেন্দ্রে আনা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। আবারও কি সেই সুন্দরবন : ২০০৭ সালে বাংলাদেশে আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় সিডর, তাতে তছনছ হয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল, প্রাণ হারিয়েছিল দুই হাজারের বেশি মানুষ। তার এক যুগ পরে এখন যে ঘূর্ণিঝড়ের সামনে বাংলাদেশ, সেই আম্ফান এখন সিডরের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। বঙ্গোপসাগরের জানা ইতিহাসে দ্বিতীয় সুপার সাইক্লোন হিসেবে ধরা হচ্ছে আম্ফানকে। প্রথম সুপার সাইক্লোনটি ছিল ১৯৯৯ সালের উড়িষ্যা সাইক্লোন। বাংলাদেশের আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, আড়াইশ কিলোমিটার বেগের ঝড় যখন বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে তখনও ১৫০-১৬০ কিলোমিটার বেগে এগোতে পারে। উপকূলে আসার পরই গতি কমে আসবে, বৃষ্টির প্রবণতাও বাড়বে। তিনি বলেন, সুপার সাইক্লোন আম্ফানের ব্যাস বেশ বড়। এ ধরনের ঝড় শেষ মুহূর্তেও সামান্য দিক পরিবর্তন করতে পারে। এটি উড়িষ্যা উপকূলয় হয়ে উত্তর দিকে সরে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূলে আসবে। এবারও সুন্দরবন অংশ পাবে। এক যুগ আগের সিডরের ঝড়ও গিয়েছিল সুন্দরবনের ওপর দিয়ে, এতে সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রক্ষা করেছিল উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা। বুলবুলের ক্ষেত্রেও ঢাল হয়ে ছিল সুন্দরবন। জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার আম্ফানের সম্ভাব্য যে গতিপথ দেখিয়েছে, তাতে উপকূল অতিক্রম করার সময় এ ঝড়ের কেন্দ্র বা চোখ থাকতে পারে সুন্দরবনের ওপর। বন অধিদপ্তরের (বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল) বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, এবারের সুপার সাইক্লোনের প্রভাব সুন্দরবনেও পড়বে। আমরা ইতোমধ্যে সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট এলাকাসহ সবাইকে নিরাপদে অবস্থান নেওয়ার জন্যে সতর্ক করে দিয়েছে। মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেলেও বনের ক্ষয়ক্ষতি ঝড় থেকে এড়ানো সম্ভব হয়ে ওঠে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গেও আঘাত হানবে আম্ফান : কলকাতার আলীপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এসব স্থানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা রাজ্যে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এনডিআরএফ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে দুই রাজ্য গঠন করেছে ৩৭টি বিপর্যয় মোকাবিলা দল। প্রতিটি দলে রয়েছেন ৪৫ জন করে সদস্য। সঙ্গে থাকছে উদ্ধারসামগ্রী। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর মহাপরিচালক এসএন প্রধান স্থানীয় গণমাধ্যমকে এ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সূত্র -দৈনিক আমাদের সময়
 



গন্তব্য কলারোয়া    
Product Image Product Image


 
    
Copyright : Kalaroa.com, 2019
Email : info@kalaroa.com