কলারোয়ার চন্দনপুরে করোনা শনাক্ত
বাড়ি লকডাউন

আজকের কলারোয়া - 27/05/2020
কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী গ্রামে করোনা শনাক্ত এক ব্যাক্তির বাড়িসহ আশপাশের ৮/১০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। একই সাথে ওই ব্যক্তির স্বজন, সংস্পর্শে আসা ১৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে নমুনা সংগ্রকারী দল হিজলদী গ্রামে যেয়ে গাজিপুর ফেরত করোনা শনাক্ত হওয়া ওই যুবকের পিতা, ভাইসহ আশপাশের ১৫জন এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ৩জন গ্রামপুলিশের নমুনা সংগ্রহ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ডা. জিয়াউর রহমান জানান, গত ১৯মে ওই যুবকের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা ল্যাবে পাঠানো হয়। ২২ মে শুক্রবার প্রাপ্ত রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে। ২৩ মে শনিবার আমরা সেখানে গিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করি। তিনি বলেন, 'এদিন পর্যন্ত উপজেলায় ২১৪টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১৬ টির মত রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। এর মধ্যে ৩টি করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। নমুনা সংগ্রহের সময় ডা. জিয়াউর রহমান ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার ডা. বাপ্পাদিত্ত গাইন, এমটি ইপিআই কাজী নাজমুল হাসান, কার্ডিওগ্রাফআর সুব্রত, হিজলদি কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি শেফালী খাতুন। এদিকে, খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মুনীর-উল-গীয়াস করোনা আক্রান্তের বাড়ি এলাকায় গিয়ে সেখানকার সকলকে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন। আর শনিবার সকালে থানা পুলিশের একটি টিম সেখানে গিয়ে হিজলদি ব্রিজ থেকে ওই বাড়ি এবং আশপাশ এলাকা আনুষ্ঠানিক লকডাউন করেন। ওসি বলেন, 'করোনা পজেটিভ ব্যক্তির বাড়িসহ ৮/১০টি বাড়ি এবং আশপাশের চত্বর লাল পতাকা তুলে লকডাউন করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, হিজলদি গ্রামের মফিজুল ইসলামের পুত্র ইব্রাহীম হোসেন (২১) ঢাকার পার্শ্ববর্তী গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ৫/৬ দিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন। স্থানীয়দের চাপে গত ১৯ তারিখে তিনি হাসপাতালে গিয়ে তার নমুনা পরীক্ষা করে আসেন। তবে করোনা আক্রান্ত যুবক তেমন কোথাও না গেলেও তার পিতা হিজলদী বাজারসহ আশপাশে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়িয়েছেন, নিষেধ করলেও তিনি শোনেননি বলে তারা জানান। উল্লেখ্য, কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের প্রথম করোনা শনাক্ত ব্যক্তি মাজেদুল ও তার স্ত্রীর গ্রাম দাড়কির পার্শবর্তী গ্রাম হিজলদী। সেখানেই তৃতীয় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান মিললো। সব মিলিয়ে উপজেলার ৩ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিই হলেন চন্দনপুর ইউনিয়নের পাশাপাশি গ্রামের বাসিন্দা। এনিয়ে কলারোয়ায় প্রথমে (১৬ মে) করোনায় আক্রান্ত দাড়কি গ্রামের মাজেদুল ইসলাম (৩৭), পরে (২০ মে) মাজেদুলে স্ত্রী মিম (২২) এবং ২২ মে শুক্রবার ইব্রাহীমের নমুনা সংগ্রহের পর রিপোর্টে করোনা পজিটিভ এসেছে। এদিকে, কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নে ৩ জনের শরীরে করোনা সনাক্ত হওয়ায় চারদিকে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।


 



গন্তব্য কলারোয়া    
Product Image Product Image


 
    
Copyright : Kalaroa.com, 2019
Email : info@kalaroa.com