Home
 
রোববার সকাল ৬টা থেকে বুধবারসকাল ৬টা পর্যন্তদেশব্যাপী সর্বাত্মকহরতাল
আজকের কলারোয়া - 14/02/2015
বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আ্হমেদ বলেন,“শাসকগোষ্ঠীর অন্ধপ্রতিহিংসা ও ক্ষমতালিপ্সার খেলায় দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র বিপন্নপ্রায়” “ আইনী শাসনের শূন্যতা, বিচারিক নৈরাজ্য, পুলিশী তান্ডব ও রাষ্ট্রের সকল অঙ্গের অবশায়নের মধ্য দিয়ে অবৈধ ক্ষমতা চিরস্থায়ীকরণের উন্মাদনায় লিপ্ত আওয়ামী লীগ; ফলশ্রুতিতে জাতীয় জীবন অবরুদ্ধ, গণতন্ত্র বন্দী বাকশালী খাঁচায়। তিনি আরো বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল ইতোমধ্যে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং জনদাবী মেনে নিয়ে পদত্যাগ করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ঘোষনা দিবে কিন্তু এ ধরণের কোনো লক্ষণ পরিলক্ষিত না হওয়ায় আমরা আবারো একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে, দেশব্যাপী ক্রসফায়ারের মাধ্যমে অসংখ্য নেতা-কর্মীকে হত্যা ও গুলি করে পঙ্গু ও আহত করার প্রতিবাদে, দেশব্যাপী বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীসহ নিরীহ জনগণকে গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পূণ:রুদ্ধারের দাবিতে, বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ ও কুক্ষিগতকরণের প্রতিবাদে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অভুক্ত রেখে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে, সাংবাদিক নির্যাতন ও সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রতিবাদে, জনগণের মৌলিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে, অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে ২০ দলীয় জোটের উদ্যোগে চলমান অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি পূনরায় আগামীকাল ১৫ ফেব্রুয়ারী রোজ রোববার সকাল ৬ টা থেকে বুধবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত দেশব্যাপী সর্বাত্মক হরতালের ঘোষণা দেন। আজ শনিবার দুপুরে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ এক বিবৃতি্তে একথা বলেন । বিবৃতি্টি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আ্হমেদ বলেন, “ আইনী শাসনের শূন্যতা, বিচারিক নৈরাজ্য, পুলিশী তান্ডব ও রাষ্ট্রের সকল অঙ্গের অবশায়নের মধ্য দিয়ে অবৈধ ক্ষমতা চিরস্থায়ীকরণের উন্মাদনায় লিপ্ত আওয়ামী লীগ; ফলশ্রুতিতে জাতীয় জীবন অবরুদ্ধ, গণতন্ত্র বন্দী বাকশালী খাঁচায়। ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভখ্যাত গণমাধ্যমের চোখে পট্টি লাগিয়ে দিয়ে প্রকারান্তরে সরকার নিজেই অন্ধত্ববরণ করেছে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকার নি:স্ফল প্রয়াস ব্যর্থ হতে বাধ্য। শাসকগোষ্ঠীর অন্ধপ্রতিহিংসা ও ক্ষমতালিপ্সার খেলায় দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র বিপন্নপ্রায়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সকল পথ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বর্তমান সংবিধান মানবিক ও নাগরিক অধিকার ক্ষুন্ন করে একটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েমের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচারের তিরোধানের সা¤্রাজ্যে মুক্তিযুদ্ধের সকল অর্জন ধূলিস্যাৎপ্রায়। ক্রসফায়ারের মাধ্যমে দেশব্যাপী অব্যাহত গণহত্যা, গণগ্রেফতার, মামলা-হামলা ও চুড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে সরকার সারাবিশ্ব থেকে বাংলাদেশকে একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত করেছে। তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও এদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও ২০ দলীয় জোট নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অঘোষিত গৃহবন্দিত্ব অবস্থায় খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে অভুক্ত রেখে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে সরকার। প্রতিহিংসার মাত্রাজ্ঞানহীন এমন নিষ্ঠুরতা ও বাড়াবাড়ি দেশের জনগণকে স্বভাবত:ই চরমভাবে বিক্ষুদ্ধ করেছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘসহ সকল আন্তর্জাতিক মহল ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। আমরা জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনকে এ ব্যাপারে যথাযথ এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানাচ্ছি। আমি প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষমূলক অপরাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে গণদাবীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহবান জানাচ্ছি। দেশের শতকরা ৯০ ভাগ জনগণ নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন চায়। প্রকৃত জনগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাই রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে। সমগ্র জাতি আজ সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রামে লিপ্ত। জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে উপনীত প্রায়। জনগণের প্রত্যাশা ছিল ইতোমধ্যে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং জনদাবী মেনে নিয়ে পদত্যাগ করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ঘোষনা দিবে কিন্তু এ ধরণের কোনো লক্ষণ পরিলক্ষিত না হওয়ায় আমরা আবারো একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে, দেশব্যাপী ক্রসফায়ারের মাধ্যমে অসংখ্য নেতা-কর্মীকে হত্যা ও গুলি করে পঙ্গু ও আহত করার প্রতিবাদে, দেশব্যাপী বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীসহ নিরীহ জনগণকে গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পূণ:রুদ্ধারের দাবিতে, বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ ও কুক্ষিগতকরণের প্রতিবাদে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অভুক্ত রেখে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে, সাংবাদিক নির্যাতন ও সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রতিবাদে, জনগণের মৌলিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে, অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে ২০ দলীয় জোটের উদ্যোগে চলমান অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি পূনরায় আগামীকাল ১৫ ফেব্রুয়ারী রোজ রোববার সকাল ৬ টা থেকে বুধবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত দেশব্যাপী সর্বাত্মক হরতাল পালিত হবে। চলমান অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি ঘোষিত ৭২ ঘন্টার হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের সকল পর্যায়ের নেতা- কর্মীসহ দেশবাসীকে ২০ দলীয় জোট নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে উদ্বাত্ত আহবান জানাচ্ছি। (সালাহ উদ্দিন আহমেদ) যুগ্ম মহাসচিব বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি। তারিখঃ ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫


 



গন্তব্য কলারোয়া    
Product Image Product Image


 
    
Copyright : Kalaroa.com, 2019
Email : info@kalaroa.com