|
শেখ আমানুলাহ কলেজের শিক্ষক সোলায়মানেরবিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন
আজকের কলারোয়া -
05/11/2014
কলারোয়ায় শেখ আমানুলাহ কলেজের কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষক সোলায়মান হোসেনের নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয়ের বিষয়গুলো তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জন্য এলাকাবাসীর পক্ষে কাজী আ: ওহাব লিখিত ভাবে একটি অভিযোগ প্রদান করেছেন। অভিযোগে তিনি বলেন, কলেজের কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষক সোলায়মান হোসেনের নৈতিক চরিত্র অবক্ষয়ের বিষয়গুলির মধ্যে হলো- (১) বিগত ইং ১৩/১০/২০১৪ তারিখ রাত্র সাড়ে ১২ টার সময় ঝিকরা গ্রামের প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পশ্চিম পার্শ্বে এক স্বামি পরিতাক্তা মহিলা (বয়স আনুমানিক ৪৪ বৎসর) এর বাড়ীতে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়ে। ঘটনাটি নিয়ে জনমনে ও এলাকায় চরম উত্তেজনা ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় যুবক ছেলেদের ও সাংবাদিকদেরকে দফায় দফায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করলেও এলাকায় সাধারণ শ্রেণীর মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং শেখ আমানুলাহ কলেজের শিক্ষকদের সম্পর্কে একটা বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি ভর্তির উপর প্রভাব পড়ছে। যা কলেজের জন্য মারাত্মক হুমকীস্বরূপ। শুধু এইটায় নয়, ইতিপূর্বেও উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারীঘটিত বিষয়ে বহু অভিযোগ আছে, যা জাতির মেরুদন্ড ও মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে একজন শিক্ষকের নিকট অপ্রত্যাশিত ও অমার্জনীয় অপরাধ বলে আমি মনে করি। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে যে কোন সময় এলাকায় আরও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। সরকারী কলেজের মন্টু স্যার (০১৫৫২৬৫৬৬৬৪) ও আবুল কাসেম (চায়ের দোকান)সহ অনেকের নিকট গোপনে তদন্ত করলে পাওয়া যাবে। (২) কলারোয়া সরকারী কলেজের উপাধ্যক্ষ অহিদুল আলম সাহেবের আপন শ্যালক আরিফ (মোবা: ০১৯১৭১৫৪৬৯৩) বিগত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইংরাজীতে ফেল করে এবং তাকে পাস করিয়ে দেয়ার প্রতিশ্র“তিতে যশোর বোর্ডে টাকা দেয়ার নাম করে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে পাস করাতে না পারায় চাপের মুখে কিয়দাংশ টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়। এইভাবে ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকায় অনেকের নিকট হইতে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দিবে ও বিভিন্ন জায়গায় চাকুরী দেয়ার নাম করে টাকা-পয়সা নেয় কিন্তু চাকুরী ও টাকা পয়সা ফেরৎ না দিয়ে বিভিন্ন ফ্যাসাদ তৈরী করে কলেজের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। কিছুদিন পূর্বেও দুই ছাত্রের নিকট হতে চাকুরী দেয়ার নাম করে টাকা নিয়ে ফেরৎ না দেয়ার অভিযোগ অত্র কলেজের তিনজন সদস্যের নিকট তদন্তাধীন আছে। (৩) ছাত্রদের নিকট বই বিক্রি করে দেয়ার নাম করে সাতক্ষীরার এক পাবলিসার্সের নিকট হতে টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ আছে, যা অত্র কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক রফিকুল ইসলামের (মোবা: ০১৭২০৫০৫৯০২) নিকট তদন্ত করলে পাওয়া যাবে। (৪) সোলায়মান হোসেন অত্র কলেজের কম্পিউটার শিক্ষক হলেও সে কম্পিউটার ওপেন করিতে পারে না। তা হলে ছাত্রদেরকে কি শিখাবে! তিনবার করে টাকা দিয়ে প্রাক্তন অধ্যক্ষ রইছ উদ্দীনের মাধ্যমে চাকুরী নিয়েছে। সে ভালভাবে ক্লাস নিতে ব্যর্থ, প্রায়ই সময় ক্লাস নেয় না এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট হতে প্রাকটিক্যালে নাম্বার বেশী দেয়ার নাম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় এবং তার বিরুদ্ধে কেহ অভিযোগ করলে তাকে প্রাকটিক্যালে ফেল করিয়ে দিবে বলে হুমকি প্রদর্শন করে। ছাত্র-ছাত্রীরা অধ্যক্ষের নিকট গোপনে বহুবার বলেও কোন প্রতিকার পায়নি। বিষয়টি গোপনে ছাত্র-ছাত্রীদের ও অধ্যক্ষের নিকট তদন্ত করলে পাওয়া যাবে। এ পর্যন্ত উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ডজন খানেক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে তার অপরাধের মাত্রা বেড়েই চলেছে। যা কলেজের ভাবমূর্তি নষ্টসহ অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকের জন্য মানহানিকর এবং আত্মঘাতি কাজ বলে মনে করি। সুতরাং বিষয়টি অতিদ্রুত তদন্ত পূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার একান্ত আবেদন, উপরোক্ত বিষয়গুলি তদন্ত পূর্বক সত্যতা প্রমাণ সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে কলেজের তথা শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেখ আমানুলাহ ডিগ্রী কলেজের সভাপতি ও সংসদ সদস্য, সাতক্ষীরা-১-তালা-কলারোয়া বরাবরে আবেদন করেছেন।
|