|
উদ্বোধনী ম্যাচেইচিরপ্রতিদ্বন্দ্বি অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড মুখোমুখি
আজকের কলারোয়া -
13/02/2015
যৌথভাবে নিউজিল্যান্ডের সাথে বিশ্বকাপের
১১তম আসর আয়োজন করছে অস্ট্রেলিয়া।
টুর্নামেন্টের
উদ্বোধনী দিনে নিউজিল্যান্ডের মত তাই
মাঠে নামছে অস্ট্রেলিয়াও। স্বাগতিকদের
প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। এই দু’দলকে চিরপ্রতি দ্বন্দ্বিই
বলা হয়। মেলবোর্নে এই ২ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বির
খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল
সাড়ে ৯টায়। এশিয়ার
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে অনেক
বেশি জনপ্রিয় ভারত-পাকিস্তান। তবে সেখানকার
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বির জনপ্রিয়তা খুব বেশি নয়। তারপরও
ভারত-পাকিস্তানের মত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বির
স্বীকৃতিটা নিজেদের
গায়েভালোভাবেএটেফেলেছেঅস্ট্রেলিয়া-
ইংল্যান্ড। তাই বিশ্বকাপের ১ম দিনেই
উপমহাদেশের ২ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বির
খেলা দেখার সুযোগ পাচ্ছে ক্রিকেট
বিশ্ব।
জয় দিয়ে এবারের আসরে শুভ
সূচনা করতে চায় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড।
তবে অসিদের উপর চাপটা বেশিই মানছেন
অনেকেই। স্বাগতিক হবার কারণেই এমন চাপ
বলে মনে করেন দলের
খেলোয়াড়রা। তবে নিজেদের উপর
চাপটা নিতে চাইছেন না অসি কোচ ড্যারেন
লেহম্যান, বিশ্বকাপে প্রত্যক দলের উপরই
চাপ আছে। শুধুমাত্র আমাদের উপরই নয়।
তবে নিজ কন্ডিশনে খেলা হওয়ায়, আমাদের
দল নিয়ে প্রত্যাশাটা অনেক বেশি সবার।
আশা করছি প্রথম ম্যাচে ভক্তদের হতাশ
করবো না। সাফল্য নিয়েই মাঠ ছাড়বো।
অস্ট্রেলিয়ার মত চাপ নেই ইংল্যান্ডের।
তবে বিশ্বকাপের মঞ্চ বলে কথা। তাই সেই
মঞ্চের ১ম লড়াইয়ে শুরুটা ভালোভাবেই
করতে চাইছেন ইংলিশ দলপতি ইয়োইন মরগান,
আমাদের প্রধান লক্ষ্য ভালো ক্রিকেট
খেলা। তবেই সাফল্য ধরা দেবে। আমার
মনে হয়
যদি আমরা সেরাটা খেলাটা খেলতে পারি,
তবে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো কঠিন কিছু নয়।
তাই জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবো।
ভালোভাবে টুর্নামেন্টটা শুরু করতে চাই।
এদিকে নিজেদের ১ম ম্যাচে নিয়মিত
অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ককে ছাড়াই
মাঠে নামবে অস্ট্রেলিয়া। কারণ
ক্লার্ককে নিয়ে এখনই কোন ধরনের
ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না অস্ট্রেলিয়া টিম
ম্যানেজমেন্ট। ক্লার্ককে শতভাগ সুস্থ
করে তুলতেই এমন সিদ্বান্ত
বলে জানালেন অসি কোচ লেহম্যান,
‘প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে ক্লার্কের পারফরমেন্স
ছিলো চোখে পড়ার মত। তার
পারফরমেন্সে আমরা সন্তুষ্ট।
তবে আমরা এখনই তাকে নিয়ে ঝুঁিক
নিতে চাইছে না। ২য়
ম্যাচে ক্লার্কে খেলানোর
পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।’
এখন পর্যন্ত ১৩০বার
ওয়ানডেতেমুখোমুখিহয়েছেঅস্ট্রেলিয়াও
ইংল্যান্ড। এরমধ্যে ৭৬ বার
জিতেছে অসিরা এবং ৪৯টি ম্যাচে জয়ের
স্বাদ পেয়েছে ইংলিশরা। আর বিশ্বকাপে ৬বার
দেখা হয়েছে এ দু’দলের। এখানেও
জয়ের পাল্লাটা ভারী অসিদের। ৪বার ম্যাচ
জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র দু’বার ম্যাচ
জয়ের স্বাদ পায় ইংল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াড
মাইকেল ক্লার্ক (অধিনায়ক), জর্জ বেইলি, প্যাট
কামিন্স, জেভিয়ার ডোহার্তি, জেমস ফকনার,
এরন ফিঞ্চ, ব্র্যাড হাডিন, জস হ্যাজেলউড,
মিচেল জনসন, মিচেল মার্শ, গ্লেন
ম্যাক্সওয়েল, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক,
ডেভিড ওয়ার্নার, শেন ওয়াটসন।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
মঈন আলি, জেমস এন্ডারসন, গ্যারি ব্যালেন্স,
ইয়ান বেল, রবি বোপারা, স্টুয়ার্ট ব্রড, জস
বাটলার, স্টিভেন ফিন, এলেক্স হেলস, ক্রিস
জর্ডান, ইয়োইন মরগান (অধিনায়ক), জো রুট,
জেমস টেইলর, জেমস ট্রেডওয়েল,
ক্রিস ওকস।
|