|
প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনসংখ্যলঘু পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখল
আজকের কলারোয়া -
08/06/2015
সাতক্ষীরায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের
সহযোগিতায় এলাকার চিহিত ভূমিদস্যু আওয়ামীগ নেতা
শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর
গ্রামের একটি সংখ্যলঘু পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি
জবর দখল করে নিয়েছে বলে
অভিযোগ উঠেছে। এবিষয় শ্যামনগর থানায়
অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে
উল্টো তাদের পক্ষের তিনজনকে ভ্রাম্যমান
আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়ে জেলে
পাঠিয়েছে। রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে
এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন
শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মৃত রাধাকান্ত
মন্ডলের ছেলে আলীপদ মন্ডল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আলীপদ মন্ডল
বলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার
বাদঘাটা মৌজার জে,এল নং-২৭ এস,এ ৬৫ নং খতিয়ানের
বিভিন্ন দাগসহ চিহিত ১৬৭ ও ২২৭
দাগে মোট ২ দশমিক ৪০ একর জমি পৈত্রিক সূত্রে
তারা তিন ভাই আলীপদ মন্ডল, দীননাথ
মন্ডল ও নিত্যানন্দ মন্ডল মালিক। কিন্তু একই গ্রামের
চিহিত ভূমিদস্যু মৃত
ছোরমান গাজীর ছেলে আওয়ামীগ নেতা ফকির
আহম্মেদ গাজী, তার (ফকির) ৫ ছেলে ফজলে
করিম, শফিকুল ইসলাম, শাহিনুর কবির, মিজানুর রহমান ও
মহাসীন আলী এবং মৃত কাজী
নুর মোহাম্মাদ এর ছেলে কাজী আব্দুস সালাম ওই
জমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে
পুকুর খনন, পাকা বাড়ী ও প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু
করে। তারা বাধা দিতে গেলে
তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় তারা। বিষয়টি
শ্যামনগর থানায় জানালে পুলিশ নোটিশ
দিয়ে ৩০ মে দুই পক্ষকে থানায় ডাকে। কিন্তু তারা
হাজির না হয়ে আরও বহু লোক
লাগিয়ে দ্রুত নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে থাকে।
ফের এঘটনা জানলে পুলিশের কিছু
করার নেই বলে ওসি তাদেরকে জানিয়ে দেয়।
এক পর্যায় স্থানীয় শ্রমিক নেতা
মোহাম্মাদ আলী, সোহেল ও সিদ্দিককে নিয়ে
থানায় গিয়ে বিষয়টি সর্ম্পকে বোঝানোর
চেষ্টার এক পর্যায় ওসি এনামুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে
তাদের তিনজনকে আটক করেন। পরে রাত
১২ টার দিকে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে সহকারি
কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট আহসানউল্ল্যাহ শরিফী তাদের
প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম সাজা
প্রদান করেন। এতে দখলকারিরা আরও উৎসাহিত হয়ে
পুরোদমে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ সরাসরি
দখলকারিদের পক্ষ নেয়ায় তারা তিন ভাই তাদের
পৈত্রিক ২ দশমিক ৪০ একর সম্পত্তি হারাতে
বসেছে। তিনি দখলকারী ভূমিদস্যুদের কবল
থেকে পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য সাতক্ষীরা
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা
করেন।
|